বৃহস্পতিবার, ১১ Jun ২০২৬, ০৯:৪৯ অপরাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ই-কণ্ঠ অনলাইন ডেস্ক:: পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় হওয়া নাশকতার মামলায় কারাবন্দি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ছয় মাসের জামিন পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারী) দুপুরে বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আসামিপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর।
শুনানি শেষে আদালত মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে ছয় মাসের জামিন দেন।
এর আগে সোমবার মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসের জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন।
গত ২১ ডিসেম্বর বিএনপির কারাবন্দি এই দুই নেতার জামিন আবেদন চতুর্থবারের মতো নাকচ করে আদেশ দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান।
এর আগে ১৫ ডিসেম্বর ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন শুনানি শেষে আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। তারও আগে গ্রেপ্তারের চারদিন পর ১২ ডিসেম্বর ঢাকার আরেকটি আদালত একই মামলায় মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের জামিন আবেদন খারিজ করে দেন।
গত ৭ ডিসেম্বর রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষের পর ৮ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৩টার দিকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসকে সাদা পোশাকে ডিবি পুলিশ বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়।
পরদিন দুপুরে তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।
ওইদিন বিকালে মির্জা ফখরুল আর আব্বাসকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন পল্টন থানার পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
তবে নয়াপল্টনে সংঘর্ষের ঘটনায় ঘটনায় পল্টন থানার উপপরিদর্শক মিজানুর রহমান বাদী হয়ে ৪৭৩ জনের নাম উল্লেখ করে যে মামলা করেন সেটির এজাহারে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের নাম ছিল না।